কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, তৃণমূলনির্ভর রাজনীতির পরীক্ষিত নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। সরকারের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই কুষ্টিয়া জেলাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ; সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে বইছে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশার জোয়ার।
সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে এই অভিজ্ঞ, সংগ্রামী ও জনসম্পৃক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ওপর। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা, ত্যাগ, আদর্শিক অঙ্গীকার ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপই এ দায়িত্ব তার কাঁধে ন্যস্ত হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহল।
দায়িত্বপ্রাপ্তির সংবাদ জেলাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন থেকে আগত নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ জনগণের ঢল নামে তার বাসভবন ও কার্যালয়ে। ফুলেল শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও শুভকামনায় মুখর হয়ে ওঠে চারদিক। উচ্ছ্বসিত জনগণের প্রত্যাশা—তার সুদক্ষ নেতৃত্বে জেলা পরিষদের কর্মকাণ্ডে আসবে গতিশীলতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা; দূর হবে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও অব্যবস্থাপনা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন কেবল একজন রাজনীতিক নন; তিনি তৃণমূল মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও নির্ভরতার প্রতীক। দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো, আপদ-বিপদে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় তিনি কুষ্টিয়াবাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান অধিকার করে আছেন।
একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই মনে করছেন—দলীয় কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে অতীতে কুষ্টিয়া বিএনপিকে অনেক বড় মূল্য দিতে হয়েছে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় সময় এসেছে সেই ভুলগুলো সংশোধন করে সংগঠনকে নতুনভাবে সুসংগঠিত করার। অনেকের প্রত্যাশা, আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিনের নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতার হাত ধরেই কুষ্টিয়ায় বিএনপি আবারও সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে আসবে, ইনশাআল্লাহ।
তবে দলীয় মহলের অনেকেই তাকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, দলের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কিছু “দুধের মাছি” অতীতে সংগঠনের ক্ষতি করেছে এবং নানাভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। তাই ভবিষ্যতের পথচলায় তাকে অবশ্যই সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। ইতোমধ্যে তিনি নিশ্চয়ই উপলব্ধি করতে পেরেছেন কারা সংগঠনের অগ্রযাত্রার বিপক্ষে কাজ করেছে; সেসব অপতৎপরতা থেকে দূরে থেকে ঐক্যবদ্ধ সংগঠন গড়ে তোলাই এখন সময়ের দাবি।
দায়িত্বগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন,
“ব্যক্তিস্বার্থ ও গোষ্ঠীগত সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে কুষ্টিয়া জেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনগণের ন্যায্য অধিকার সংরক্ষণ এবং একটি সুশাসননির্ভর প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠাই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার। আমি জেলা পরিষদকে একটি জনকল্যাণমুখী, স্বচ্ছতা-নির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”
সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা—সোহরাব উদ্দিনের অভিজ্ঞ নেতৃত্বে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের কার্যক্রমে সূচিত হবে নতুন গতি, প্রসারিত হবে উন্নয়নধারা এবং জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম ও জনপদে পৌঁছে যাবে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সুফল।
কুষ্টিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গন, সুশীলসমাজ ও সচেতন নাগরিকমহলের অভিমত—প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, তৃণমূলসংযুক্ত নেতৃত্ব ও আপসহীন রাজনৈতিক সংগ্রামের সমন্বয়ে আলহাজ্ব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদকে একটি কার্যকর, গতিশীল ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সক্ষম হবেন। তার নেতৃত্বেই কুষ্টিয়ার উন্নয়নযাত্রা পাবে নতুন গতি এবং রাজনৈতিক অঙ্গনেও সৃষ্টি হবে নতুন প্রত্যাশার দিগন্ত।
কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আধুনিক মানের অনলাইন
সবার আগে সংবাদ পেতে ভিজিট করুন rupantornews.com