কুষ্টিয়ার ঐতিহাসিক ঝাউদিয়া শাহী মসজিদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন ঝাউদিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। এ বিষয়ে মোঃ হায়াত আলী বিশ্বাস, রুহুল আমিন রোকোসহ সংশ্লিষ্টরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে এক প্রতিবাদ বিজ্ঞপিতে বলা হয়, রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে প্রকৃত ঘটনা গোপন করে সংবাদকর্মীদের ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করানো হয়েছে। তারা সংবাদকর্মীদের কাছে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, পূর্বে ঝাউদিয়া দাখিল মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে পুনরায় চালু করা হয়েছে এবং বর্তমানে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন শিক্ষার্থী সেখানে অধ্যয়ন করছে। মাদ্রাসাটি স্থায়ীভাবে চালু ও এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে প্রশাসনের কাছে আবেদনও করা হয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষকরা বেতন না পাওয়ায় অনেকে শিক্ষকতা করবেন না বলে মর্মে জানান, এমবস্থায় পূর্বের মতো আমরা আলোচনা করে, গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) শাহী মসজিদ থেকে আমরা কিছু টাকা কালেকশন করি যার পরিমান প্রায় ২৬ হাজার টাকা। এই টাকা মুলত শিক্ষকদের বেতন দেওয়ার জন্যই উঠানো হয়েছিল। যেটা মসজিদ মাদ্রাসা কমিটির সকলেই অবগত।
সম্প্রতি নতুন পরিচালনা কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল মসজিদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, মসজিদের কোনো অর্থ আত্মসাৎ হয়নি এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরা এখনো কোনো বেতনও পাননি।
প্রতিবাদকারীরা মিথ্যা ও অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত আধুনিক মানের অনলাইন
সবার আগে সংবাদ পেতে ভিজিট করুন rupantornews.com